তিন মাসের মধ্যে কাগজবিহীন হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ছবিঃ সংগৃহীত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস বা কাগজবিহীন করার কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ হবে।
তিনি বলেন, ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে, একই সঙ্গে পুরোনো নথি নিয়ে যাওয়া হবে আর্কাইভে।
কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান হয় আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তর। প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পান ১৮৩ জন কর্মকর্তা।
অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর ভাষায়, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পেপারলেস হচ্ছে। ডি-নথিতে যাঁরা মাস্টার ট্রেনার আছেন, তাঁদের আরও সক্রিয় হয়ে কাজ করতে হবে। পুরোনো নথিগুলো আমরা আর্কাইভে নিয়ে যাব। এ ধরনের প্রশিক্ষণ চলতে থাকবে।’
তিনি বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে সংগতি রেখে পরিবর্তন আনতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজেও। নিয়মিত প্রশিক্ষণ দরকার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য; আর প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া দক্ষতা কাজে লাগানো গেলে দাপ্তরিক কাজে গতি ও স্বচ্ছতা—দুটিই বাড়বে।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে।
প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা কর্মকর্তারা সনদ গ্রহণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর ও উপস্থিত অতিথিদের হাত থেকে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ। এতে আরও ছিলেন স্নাতকোত্তর শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।