ছবিঃ সংগৃহীত
সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডায় আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে আয়োজিত হবে ২০২৬ সালের গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি। অর্থাৎ কানাডার এই টুর্নামেন্টের আসর এবার নিজ দেশে না বসে বসছে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে। তবে এক মৌসুম বাদে ২০২৭ সালে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি ফের কানাডায় ফিরে যাবে।
দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের লক্ষ্য, এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে কানাডা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ক্রিকেট সম্পর্ক আরও নিবিড় করা। একই সঙ্গে বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ মিলবে কানাডা ও উত্তর আমেরিকার উঠতি ক্রিকেটারদের।
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লিউআই) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্যারিবীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রতিষ্ঠিত তারকাদের সঙ্গে এবার মাঠে নামবেন কানাডার উদীয়মান ক্রিকেটাররা। আবার কানাডার ক্রিকেট কাঠামো সম্পর্কে আরও ঘনিষ্ঠভাবে জানার সুযোগ তৈরি হবে ক্যারিবীয় ক্রিকেটারদের জন্যও।
সিডব্লিউআইয়ের প্রধান নির্বাহী ক্রিস ডেহরিং বলেন, ক্রিকেটের উন্নয়নের স্বার্থে এ অঞ্চলের সহযোগী সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সম্পর্ক মজবুত করা গুরুত্বপূর্ণ। ক্যারিবীয় অঞ্চলে ২০২৬ সালের গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই অংশীদারত্বেরই সূচনা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
বিষয়টি ক্রিকেট কানাডার সভাপতি অরবিন্দর খোসার চোখেও নিছক এক মৌসুমের জন্য ভেন্যু পাল্টানো নয়। তিনি বলেন, ‘গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি মূলত একটি কানাডীয় টুর্নামেন্ট। তবে ২০২৬ সালের আসরের জন্য ক্যারিবীয় অঞ্চলই আমাদের বিশেষ ঠিকানা।’
গ্লোবাল টি-টোয়েন্টির পথচলা শুরু ২০১৮ সালে; তখন থেকে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টটির চারটি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালের আসর বাতিল করতে হয়েছিল করোনা মহামারির কারণে। আয়োজন হয়নি ২০২৫ সালেও।
ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) কানাডা গত বছর ক্রিকেট কানাডার কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি লাইসেন্স পায়। এরপর পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যায় লিগটি।
২০২৬ সালে দলের সংখ্যাতেও ওই পুনর্গঠনের ছাপ পড়েছে। এবার ছয়টি নয়, মাঠে নামবে পাঁচটি দল। বদলে যাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নামও।
টুর্নামেন্টের সর্বশেষ আসর বসেছিল ২০২৪ সালে; সেই আসরের ফাইনালে মন্ট্রিয়ল টাইগার্সকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় টরন্টো ন্যাশনালস। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও শরিফুল ইসলাম সেবার মাঠে নেমেছিলেন বাংলা টাইগার্স মিসিসাগার জার্সিতে।