ছবিঃ সংগৃহীত
মেক্সিকোর ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে ক্যাম্পেওনেস কাপের শিরোপা জিতেছে ইন্টার মায়ামি। ফাইনালের রাতে নিজেদের মাঠে দলটির জার্সিতে গোলের শতক পূর্ণ করেছেন লিওনেল মেসি, আর সেই গোল এসেছে মাথা থেকে। পায়ের জাদুতে ফুটবলবিশ্বকে বহুবার মুগ্ধ করা মেসিকে এদিন দেখা গেল ভিন্ন রূপে। তার গোলের পর কাসেমিরোর হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মায়ামি।
নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই মায়ামির খেলা ছিল আক্রমণাত্মক। লুইস সুয়ারেজের দুর্দান্ত এক ক্রস থেকে ২৪ মিনিটে হেডে বল জালে পাঠান মেসি। মায়ামির জার্সিতে এটি তার ১০০তম গোল; ফলে দল এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেসিও পৌঁছে যান ব্যক্তিগত এক মাইলফলকে।
৩৯ বছর বয়সী এই তারকার মায়ামির হয়ে গোলের সেঞ্চুরি করতে লাগল মাত্র ১১৪ ম্যাচ। ক্যারিয়ারে কোনো ক্লাবের জার্সিতে এত দ্রুত ১০০ গোল তিনি আর করেননি।
মেসি এই ফাইনালে বল জালে জড়িয়েছিলেন আরও একবার। সুয়ারেজের বাড়ানো পাস ধরে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে তিনি গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। মায়ামির জয়যাত্রা অবশ্য তাতে থেমে থাকেনি। কাসেমিরো হেডে গোল করেন ৮১ মিনিটে, মেসির নেওয়া কর্নার থেকে। ব্রাজিলের সাবেক অধিনায়কের এই নিখুঁত ফিনিশিং ব্যবধান ২-০ করে দেয়; শিরোপাও নিশ্চিত হয় এই স্কোরলাইনেই।
মায়ামিতে মেসি ও কাসেমিরোর এমন বোঝাপড়া এখন বেশ পরিচিত ব্যাপার। দলটির হয়ে কাসেমিরো চারটি গোল করেছেন, যার তিনটিতেই অ্যাসিস্ট মেসির। গুরুত্বপূর্ণ গোল ফাইনালেও এল এই জুটির রসায়ন থেকে।
এই শিরোপা জয়ের পেছনে মায়ামির গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ারেরও বড় অবদান আছে। নিজের জাল তিনি অক্ষত রেখেছেন ক্রুজ আজুলের চারটি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দিয়ে। ফলে মায়ামির আরও একটি আন্তর্জাতিক শিরোপা উদ্যাপনের মধ্য দিয়েই শেষ হয় মেসির শততম গোলের রাত।
প্রসঙ্গত, ক্যাম্পেওনেস কাপের আয়োজন চলে আসছে ২০১৮ সাল থেকে। এই প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি হয় মেজর লিগ সকারের চ্যাম্পিয়ন এবং মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়নরা। সেই ট্রফিই এবার ঘরের মাঠে উঁচিয়ে ধরেছে মায়ামি।