সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম হয়নি, বিরোধীদের সমালোচনা উড়িয়ে দিলেন আইনমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত
সারা দেশে সারের ডিলার নিয়োগ আইনি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনেই দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।’
সোমবার সকালে ঝিনাইদহ পিটিআইয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কাজ করে, তবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’
বিরোধী দলের সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের কাজই হলো বিরোধিতা করা। সরকার ভালো যাই করতে যাক না কেন, তারা তার বিরোধিতা করবে। আমরা বিশ্বাস করি, যাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তারা তাদের ন্যায্য ও প্রাপ্য অংশই পাচ্ছে।’
এর আগে সকালে মন্ত্রী ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অংশ নেন। হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও হাসপাতালের সভায় স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রেক্ষাপট
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ওই দিন ঢাকার মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ ব্রিফিংয়ে সারের ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ আনেন।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, জামায়াত ঘটনার তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা দাবি করে।
সংখ্যার হিসাব
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ওই প্রতিবেদনে গোলাম পরওয়ারের বরাত দিয়ে বলা হয়, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে বিএনপির ১৪ জন সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় সারের সংকট ধরা পড়ে।
একই প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, দিনাজপুর ও রংপুরের বদরগঞ্জে অর্থের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগের অভিযোগ ওঠে। তবে প্রতিবেদনটিতে মোট ডিলারের সংখ্যা বা লেনদেনের কোনো অঙ্ক উল্লেখ করা হয়নি।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ১৫ অক্টোবর ২০২৬