ব্যবসায় দীর্ঘসূত্রতা কমালে বাড়বে বিনিয়োগ, বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস এবং সরকারি সেবাগুলোকে সুশৃঙ্খল করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। দেশে ব্যবসা পরিচালনা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমকে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে তিনি এ গুরুত্ব দেন।
ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ নিয়ে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এতে যোগ দেন যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর (আরজেএসসি) এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির (আইবিএ) কর্মকর্তারা। বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানও সেখানে ছিলেন।
ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা প্রাপ্তির যেসব প্রক্রিয়া এখন চালু আছে, বৈঠকে সেগুলো পর্যালোচনা করা হয়।
অপ্রয়োজনীয় ধাপগুলো ছেঁটে ফেলা, প্রক্রিয়া শেষ করতে লাগা সময় হ্রাস করা এবং উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীরা যাতে সহজ, দ্রুত ও কার্যকর সেবা পান তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা আর দীর্ঘসূত্রতা হ্রাস করা সম্ভব হলে তা নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকে উৎসাহিত করবে।
তিনি আরও জোর দেন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সমন্বয় শক্তিশালী করা এবং সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর।
স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সেবাগুলোকে পর্যায়ক্রমে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার অধীনে নিয়ে আসার কথা বলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এখন যেসব উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের পথে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে এবং সেবা প্রদান ব্যবস্থার উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, সেসব বিষয়ও বৈঠকের আলোচনায় আসে।
বৈঠকটিতে হাজির ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজনেস বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।