রামকৃষ্ণ মিশনে শঙ্খ-উলুধ্বনিতে কুমারী পূজা, হবিগঞ্জে হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়
ছবিঃ সংগৃহীত
ধর্মীয় রীতিনীতি ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় হবিগঞ্জ শহরের রামকৃষ্ণ মিশনে এ পূজা আয়োজন করা হয়।
এদিন যথাসময়ে সজ্জিত আসনে বসিয়ে পূজা করা হয় কুমারী মাকে। এ সময় শঙ্খ, উলুধ্বনি আর মায়ের স্তুতিতে মুখরিত হয় চারদিক। পূজাকে ঘিরে মণ্ডপসহ আশপাশের এলাকা রূপ নেয় উৎসবের আমেজ। ভিড় জমায় হাজারো দর্শনার্থী।
এদিকে, কুমারী পূজা উপলক্ষে জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি মাঠে ছিল এসআরবি-আনসার সদস্যরা। এছাড়া মণ্ডপ এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে নেওয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। মণ্ডপগুলোতে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি বাড়ানো হয় সাদা পোশাকধারী পুলিশের নজরদারি।
হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী বেদময়ানন্দ জানান, ১০৫ বছর যাবৎ এই মিশনে দুর্গাপূজা ও কুমারী পূজা হয়ে আসছে। পূজায় হবিগঞ্জ ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে অনেক দর্শনার্থী আসেন।
প্রেক্ষাপট
বাসসের ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজায় দেবীরূপে পূজিত হন চিরাকান্দি গ্রামের ছয় বছর বয়সী উৎসা চক্রবর্তী, যাঁকে “মালিনী কুমারী” নামে অভিহিত করা হয়।
জেলার প্রেক্ষিত
সময়ের আলোর ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হবিগঞ্জ জেলা শাখার বরাত দিয়ে বলা হয়, এবার জেলায় ৬৬৩টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা হচ্ছে।
ওই প্রতিবেদনের উপজেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি মণ্ডপ বানিয়াচংয়ে ১২২টি, এরপর মাধবপুর পৌরসভা ও উপজেলায় ১১৫টি এবং নবীগঞ্জ পৌরসভা ও উপজেলায় ৯০টি; হবিগঞ্জ পৌরসভায় মণ্ডপের সংখ্যা ৩৫টি।
বাসসের ২০২৬ সালের ১৬ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার সারা দেশে মণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৮৫১টি।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: বাসস, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫; সময়ের আলো, ৯ অক্টোবর ২০২৬; বাসস, ১৬ অক্টোবর ২০২৬