ছবিঃ সংগৃহীত
তপন চৌধুরী সংগীতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১৯৭৩ সাল থেকে, যদিও পরিচিতি এসেছে আরও কিছুদিন পরে। ২০১৭ সালের ৭ জানুয়ারি ঢাকা ক্লাবে আয়োজন করা হয়েছিল তাঁর সংগীতজীবনের ৪০ বছর পূর্তির আয়োজন। সেই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন রুনা লায়লা, সৈয়দ আব্দুল হাদী, আলাউদ্দিন আলী, শেখ সাদী খান, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, ফেরদৌস ওয়াহিদ, আবিদা সুলতানা, রফিকুল আলম, নকীব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, আইয়ূব বাচ্চু, মাকসুদ, ফোয়াদ নাসের বাবু, আলম আরা মিনু, এস ডি রুবেল, শওকত আলী ইমনসহ প্রথিতযশা অনেকে।
এ বছরের শেষ প্রান্তে আয়োজন করা হচ্ছে তাঁর সংগীতজীবনের ৫০ বছর পূর্তির আয়োজন। তপন চৌধুরী এখন কানাডায় স্থায়ী হয়েছেন, তাই প্রথম আয়োজনটা হচ্ছে সেখানেই। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশেও ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা আছে তাঁর।
আগামী ১২ ডিসেম্বর কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হবে ‘তপন চৌধুরীর সংগীতজীবনের ৫০ বছরের পথচলা উৎসব’। আয়োজনে রয়েছে রূপতনু মিউজিক একাডেমি ও টরন্টো ঢাকা ক্লাব। অনুষ্ঠানটি নিয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত এই শিল্পী।
তিনি বলেন, ‘আমার সংগীতজীবনের দীর্ঘদিনের পথচলায় অনেক কিছু পেয়েছি। অনেক অর্জন, অনেক প্রাপ্তি—গুণীজনদের স্নেহ, ভালোবাসা, কোটি কোটি ভক্ত-শ্রোতার অপরিসীম ভালোবাসা আর সবার দোয়া। জীবনে এসব অনেক বড় প্রাপ্তি। ঢাকায় যখন ৪০ বছরের অনুষ্ঠান করি তখন অনেকেই এসেছিলেন। বিশেষত শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা আপা আমার অনুষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ছিলেন। তাঁর উপস্থিতি আমাকে ভীষণভাবে আনন্দিত করেছিল। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই রূপতনু মিউজিক একাডেমি ও টরন্টো ঢাকা ক্লাবের প্রতি। কারণ এই দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রবল আগ্রহেই টরন্টোতে আমার সংগীতজীবনের ৫০ বছরের এই আয়োজন সম্ভব হচ্ছে। আরও যাঁরা নেপথ্যে থেকে অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন, তাঁদের প্রতিও অনেক ভালোবাসা। সবার দোয়া আর ভালোবাসা চাই।’
তপন চৌধুরী জানান, অনুষ্ঠানে ১৫টি বা তার বেশি গান পরিবেশন করবেন তিনি। গানের তালিকায় থাকবে ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, ‘এ এমন পরিচয়’, ‘দিন কি রাতে’, ‘কান্দো কেনে কেমন’, ‘কত কাঁদলাম’, ‘আজ ফিরে না গেলেই কি নয়’, ‘আমি সবকিছু ছাড়তে পারি’ ইত্যাদি।