
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ১ হাজার ২৬৯, এক দিনে আরও ৬ জন
ছবিঃ সংগৃহীত
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ছয়জন মারা গেছে। একই সময়ে ১ হাজার ৩২৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। নিশ্চিত হামে এ সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি, তবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ বুধবার হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছে।
অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ২৪ হাজার ১৫০ জনের।
সরকারি তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২৬৯ জন মারা গেছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে, বাকি ১০৫ জন মারা গেছে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৪ জন, সিলেট ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকা বিভাগে—৫২১ জন। এরপর সিলেট বিভাগে ২০৪ জন, চট্টগ্রামে ১১২, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৯, বরিশালে ৭০, খুলনায় ৫৭ এবং রংপুর বিভাগে ১৮ জন মারা গেছে।
প্রেক্ষাপট
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২৩ এপ্রিলের প্রতিবেদনে টিকার আওতা কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে ২০২৪-২০২৫ সালে দেশজুড়ে এমআর টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়া, নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি এবং ২০২০ সালের পর জাতীয় পর্যায়ে সম্পূরক হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন না হওয়ার কথা বলা হয়। ৪ এপ্রিল বাংলাদেশ বিষয়টি সংস্থাটিকে জানায়।
সংস্থাটির হিসাবে, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জরুরি এমআর ক্যাম্পেইন ৫ এপ্রিল ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় শুরু হয়ে ২০ এপ্রিল দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
সংখ্যার হিসাব
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ছিল ১ হাজার ৮২ জনের, নিশ্চিত হামে ১০৪ জনের — বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ১৬ অক্টোবর এ তথ্য জানিয়েছিল।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ২৩ এপ্রিল ২০২৬; বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
