ছবিঃ সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং জানিয়েছেন, সৌদি আরবকে দেওয়া সামরিক সহায়তা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি জানান, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার কথা যুক্তরাজ্য এখনই বিবেচনা করছে না।
স্ট্রিটিং এসব কথা বলেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির ‘সানডে উইথ লরা কুয়েনসবার্গ’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। তিনি বলেন, আকাশে উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহের সহায়তা যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে সৌদি আরবকে দিচ্ছে। সৌদি আরবে প্রাণঘাতী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ সহায়তা আরও বাড়ানো হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নে তাঁর উত্তর ছিল, সম্ভাবনা রয়েছে।
সংঘাতের তীব্রতা বাড়া এবং সৌদি আরবের ওপর হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের সহায়তার পরিধি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। অবশ্য অতিরিক্ত সহায়তা কী ধরনের হতে পারে, তা তিনি বিস্তারিত জানাননি।
স্ট্রিটিং বলেন, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সাম্প্রতিক হামলার কোনোভাবেই ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। হুতিদের হামলা ও সংঘাতের বিস্তারের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই বেসামরিক স্থাপনায় হামলা গ্রহণযোগ্য নয়।
আক্রমণাত্মক সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাজ্য তেমন কোনো অভিযানে অংশ নেবে কি না জানতে চাওয়া হলে স্ট্রিটিং বলেন, “এই পর্যায়ে আমরা সে ধরনের কিছু বিবেচনা করছি না।”
তিনি আরও বলেন, এই সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই, আর যুক্তরাজ্য এ অবস্থান বরাবরই স্পষ্ট করে এসেছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে একদিকে সৌদি আরবকে সহায়তা অব্যাহত রাখার সম্ভাবনা উঠে এসেছে, অন্যদিকে সরাসরি আক্রমণাত্মক অভিযানে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানও স্পষ্ট হয়েছে। বেসামরিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি তিনি সংঘাত নিরসনে সামরিক পদক্ষেপের সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেছেন।
তবে ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্যের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না কিংবা সৌদি আরবকে অতিরিক্ত কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হতে পারে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়। সূত্র: বিবিসি