কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে বাচ্চার উৎপাদন বাড়াতে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশ
ছবিঃ সংগৃহীত
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নির্দেশ দিয়েছেন, রাজধানীর মিরপুরের কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চার (ডিওসি) উৎপাদন বাড়াতে হবে। পাশাপাশি খামারটির ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা, ব্যবহারের অনুপযোগী শেডের দ্রুত সংস্কার এবং জনবলের সংকট কাটাতে দরকারি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।
এসব নির্দেশনা তিনি দেন আজ কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে। সে সময় প্রতিমন্ত্রী খামারের বিভিন্ন শেড, হ্যাচারি, ফিড কারখানা এবং অন্যান্য কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তিনি বিস্তারিত জেনে নেন সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে, যার মধ্যে রয়েছে উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা উৎপাদন, বাচ্চা ও ডিম বিক্রি এবং মুরগির খাদ্য উৎপাদন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্পগুলো যাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। উৎপাদন আরও বাড়ানোর পাশাপাশি খামারের ব্যবস্থাপনাকেও সুন্দর ও কার্যকর করে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, এ খামারে যে মুরগির বাচ্চা উৎপাদিত হয়, প্রান্তিক খামারিরা তা সংগ্রহ করে লালন-পালন করেন এবং বিক্রি করেন। ফলে বাচ্চার উৎপাদন যত বেশি হবে, প্রান্তিক খামারিদের লাভও তত বাড়বে। দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতেও এর মাধ্যমে ভূমিকা রাখা যাবে।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, খামারটিতে বাচ্চার উৎপাদন বাড়াতে পারলে বাজারে বাচ্চার সংকট যেমন কমবে, তেমনি কমবে অস্থিতিশীলতাও। সে জন্য উন্নত জাতের বাচ্চা উৎপাদন ও তা প্রান্তিক খামারিদের কাছে সরবরাহের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
মুরগি ও বাচ্চা পালনের কয়েকটি শেড ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী সেগুলো দ্রুত সংস্কার করার নির্দেশ দেন। জনবলের সংকট কাটাতেও তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন।
কর্মচারীরা সময়মতো অফিসে আসছেন কি না, উপস্থিতির হারই বা কেমন—প্রতিমন্ত্রী তখন সেটিও তদারকি করেন। পাশাপাশি খামারের উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাস্তবায়নের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় সেখানে ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় মুরগি খামারের পরিচালক জিনাত সুলতানা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম, সহকারী পরিচালক (গোট ফার্মস) ডা. কবির উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।