ঢাকায় সূচকের পতন, চট্টগ্রামে ঊর্ধ্বমুখী বাজার
ছবিঃ সংগৃহীত
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমেছে, তবে বেড়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। সূচকের এই উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর), সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে, পুঁজিবাজারের লেনদেন শেষ হয়।
ডিএসই ও সিএসই সূত্র থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বৃহস্পতিবার ১৮ পয়েন্ট হারিয়ে ৫ হাজার ৫৩১ পয়েন্টে নেমেছে।
বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১১০০ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ২১০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে এদিন শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭২৩ কোটি ১১ লাখ টাকা; আগের কার্যদিবসের তুলনায় তা ২৪ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে আগের দিন ৬৯৯ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়েছিল।
৩৮৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট বৃহস্পতিবার ডিএসইর লেনদেনে অংশ নেয়।
এগুলোর মধ্যে ৮৫টি কোম্পানির দর বেড়েছে, ২৪২টির কমেছে; আর ৫৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর অপরিবর্তিত ছিল।
লেনদেনের দিক থেকে এদিন শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল— আইপিডিসি, মালেক স্পিনিং, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, সায়হাম টেক্সটাইল, সার্প ইন্ডাস্ট্রি, ডোমিনেজ স্টিল, সায়হাম কটন, ইভেন্সি টেক্সটাইল, এনভয় টেক্সটাইল ও অরগান ডেনিম।
এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭ পয়েন্ট বেড়ে উঠেছে ১৪ হাজার ৮৩১ পয়েন্টে। সিএসইতে এদিন যে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠান হাতবদল হয়েছে, তার মধ্যে ৭১টির দর বেড়েছে, ৮৪টির কমেছে এবং ৩৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে বৃহস্পতিবার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন দাঁড়ায় ১৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকায়, আগের দিনের তুলনায় যা ৩১ কোটি টাকা কম। আগের দিন সেখানে ৪৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছিল।