ছবিঃ সংগৃহীত
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে লক্ষ্য এখন ১৭০ রান। নাঈম হাসানের দুর্দান্ত অর্ধশতকে ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪২ রান তুলে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
উইকেটে যথেষ্ট টার্ন ও বাউন্স থাকায় চতুর্থ ইনিংসে এই লক্ষ্য তাড়া করা যেকোনো দলের পক্ষেই কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে।
আগের দিনের ৬ উইকেটে ৭৯ রান আর ১০৬ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। অলরাউন্ডার নাঈমের ব্যাটে ভর করে স্বাগতিকরা আরও ৬৪ রান যোগ করতে পারে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকেই। শেষ পর্যন্ত ১৪২ রানে থামে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস।
গতকাল নাঈমের সঙ্গে অপরাজিত থাকা জাকের আলী অনিক দিনের প্রথম ওভারেই ২২ রানে ফিরে যান। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে।
জোমেল ওয়ারিকান ও রস্টন চেজের দুর্দান্ত স্পিনের সামনেও লেজের দিকের ব্যাটারদের নিয়ে দক্ষতার সঙ্গে ব্যাট করেন নাঈম, দলকে এনে দেন ১৫০ রানের বেশি লিড।
২৯ রানে থাকতে নাঈমের ক্যাচ ছেড়েছিলেন চেজ। কঠিন উইকেটে ধৈর্য আর দৃঢ়তা দেখিয়ে ৮৭ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি; ওয়ারিকানের বলে মিডউইকেটে ঠেলে এক রান নিয়ে ছুঁয়ে ফেলেন মাইলফলক।
শেষ পর্যন্ত চেজেরই শিকার হন নাঈম। লং-অনে ক্যাচ তুলে দিয়ে তিনি ফিরলে বাংলাদেশের ইনিংসেরও ইতি টানেন চেজ।
৩৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ইনিংস শেষ করেন চেজ। প্রথম ইনিংসে ৫৩ রানে ৫ উইকেট পাওয়া ওয়ারিকান দ্বিতীয় ইনিংসে নেন ৬৩ রানে ৪ উইকেট।
জবাবে মধ্যাহ্নবিরতির আগে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
প্রেক্ষাপট
উইজডেনের ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিজে টেস্ট দুটি; প্রথমটি ২৮ অক্টোবর থেকে মিরপুরে, দ্বিতীয়টি ৫ থেকে ৯ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ২৮ অক্টোবর ২০২৬ জানায়, এই টেস্টের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২১৩, সাদমান ইসলাম অপরাজিত ছিলেন ৯৯ রানে।
সংখ্যার হিসাব
ক্রিকট্র্যাকারের ২৭ অক্টোবর ২০২৬-এর হিসাবে, এই টেস্টের আগে দুই দল ২২টি টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে; বাংলাদেশ জিতেছে ৫টি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫টি, ড্র ২টি।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাসস
প্রেক্ষাপট সূত্র: উইজডেন, ২৫ অক্টোবর ২০২৬; বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ২৮ অক্টোবর ২০২৬; ক্রিকট্র্যাকার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬