
সংহতি দিবসে প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের, ৭ নভেম্বর আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার নির্দেশ মাউশির
ছবিঃ সংগৃহীত
‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আগামীকাল ৭ নভেম্বর (শনিবার) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. রেজাউল করিমের সই করা এক চিঠিতে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৬ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে সরকার নির্ধারিত কর্মসূচি পালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে বলা হয়েছে। এই কর্মসূচির কারণে সেদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে।
আরেকটি চিঠিতে ৭ নভেম্বর দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এবার দিনটি শনিবার পড়ায় সেই ছুটি আলাদা করে ভোগ করতে পারছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা।
এক নজরে
মন্ত্রিসভা গত এপ্রিলে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত জানাতে গিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেছিলেন, বিগত ১৬ বছর দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়নি — বাসস ১৬ এপ্রিল ২০২৬ এ তথ্য জানিয়েছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনটি পালিত হয়।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রেক্ষাপট সূত্র: বাসস, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
