সারা দেশে দুই দিন এলপিজি বিক্রি বন্ধের ডাক, কমিশন বাড়ানোসহ ৭ দাবি ব্যবসায়ীদের
ছবিঃ সংগৃহীত
দেশজুড়ে আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৫ ও ১৬) এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। কমিশন বাড়ানো এবং কোম্পানিগুলোর খেয়ালখুশিমতো দাম বদল বন্ধ করাসহ সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই সংগঠনটির এ কর্মসূচি।
সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান।
সেখানে ব্যবসায়ীরা যে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন, সেগুলো হলো—
১. জ্বালানির দাম বাড়া, লাইসেন্স ফি, সিলিন্ডার ওঠানো-নামানোর খরচ এবং অব্যবহৃত সিলিন্ডারে লোকসানের ব্যয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বেঁধে দেওয়া ৫০ টাকার কমিশন ১৫০ টাকা অথবা সাত শতাংশে উন্নীত করা।
২. মাসে একাধিকবার দাম সমন্বয় করলে এলপিজি কোম্পানিগুলোকে তা বিইআরসির ঘোষণা দিয়েই করতে হবে।
৩. দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস সরবরাহে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোর সিলিন্ডার রিফিলের ব্যবস্থা সরকারিভাবে বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমে করা।
৪. কোম্পানির দেওয়া চালানে পণ্যের প্রকৃত দাম লেখা থাকতে হবে।
৫. গ্যাস পরিবেশকের গুদাম পর্যন্ত পৌঁছে দিতে না পারলে ন্যায্য পরিবহন ভাড়া পরিশোধ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে।
৬. সিলিন্ডারবাহী পিকআপ বা ট্রাকের দরকারি কাগজপত্র ঠিক থাকলে কেবল রেলিং নেই—এই অজুহাতে ট্রাফিক পুলিশ মামলা দিতে পারবে না।
৭. অনৈতিক ও অযৌক্তিক জরিমানা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ঘাড়ে চাপানো বন্ধ করা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কমিশন যথেষ্ট না হওয়ায় ব্যবসা চালাতে গিয়ে বাড়তি চাপে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। এর সঙ্গে কোম্পানিগুলোর খেয়ালখুশিমতো দাম বদল, পরিবহনের নানা জটিলতা আর বিভিন্ন দপ্তরের অভিযানে জরিমানার ফলে তাঁরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা আইনজীবী নজরুল ইসলাম মিঠু, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজির আহাম্মেদ মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন।