১০ কোটির কাজ ৭–৮ কোটিতে করার চেষ্টা করুন: এলজিইডিকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের আহ্বান জানিয়েছেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশের সীমিত সম্পদ যেন সর্বোচ্চ মাত্রায় কাজে লাগানো হয়।
তিনি এলজিইডির নির্বাহী ও সহকারী প্রকৌশলীদের বলেন, ছোট দেশ হলেও বাংলাদেশে বসবাস করে বিপুলসংখ্যক মানুষ। সে কারণে কাজ করার সময় সম্পদের সীমাবদ্ধতার কথা মনে রাখতেই হবে। যে কাজে ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন, সেটি ৭ বা ৮ কোটি টাকায় কীভাবে সম্পন্ন করা যায়, তার চেষ্টা চালাতে হবে।
এলজিইডির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে শনিবার একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে, এলজিইডি ভবনের মিলনায়তনে; মন্ত্রী সেখানেই এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এ মিলনায়তনে উপস্থিত থাকা প্রায় ৫ হাজার ৬০০ কর্মকর্তার হাতেই রয়েছে সারা দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনপদ উন্নয়নের চাবিকাঠি। কিন্তু চাবি কেবল হাতে রাখাই যথেষ্ট নয়, তা ঘোরাতে হবে ঠিক দিকে। কাজ সঠিকভাবে হলে দেশ এগিয়ে যাবে, আর সিদ্ধান্ত ভুল হলে থেমে যাবে উন্নয়ন।
নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের ব্যাপারে সজাগ থাকতে কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন মন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রায় ৩৫ বছর আগে এলজিইডি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, এর গুরুত্বও তিনি উপলব্ধি করেছিলেন।
মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরে অপচয় কীভাবে ঘটেছে আর কাদের মাধ্যমে ঘটেছে, সে কথা কারও অজানা নয়। দায়িত্বশীলদের কর্তব্য হলো জনগণের সম্পদ রক্ষা করা এবং তার সঠিক ব্যবহার। রাষ্ট্রীয় সম্পদ যাতে যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়, জনগণের অর্পিত দায়িত্বের অংশ হিসেবেই তা নিশ্চিত করতে হবে।
কাজের ক্ষেত্রে ‘মোটিভেশন’ বা প্রেরণা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের সেবার জন্য কাজ করছি’—এমন বিশ্বাস থাকলে দায়িত্ব পালনও যথাযথভাবে করা যায়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সভায় ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন।