ছবিঃ সংগৃহীত
ইবাদত হোসেনের বলে লিটন দাসের দুর্দান্ত এক ক্যাচে ভেঙেছে ইকরাম আলী খিল ও সেদিকুল্লাহ আতালের ৬৬ রানের জুটি। আবুধাবি টেস্টের পঞ্চম দিনেও আফগানিস্তান লড়াই চালিয়ে গেলেও এই দুজনের যৌথ প্রচেষ্টায় আরেকটি উইকেট পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে এটি ইবাদতের তৃতীয় উইকেট।
৪৭৯ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পঞ্চম দিনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল আফগানিস্তান। এক প্রান্তে সেদিকুল্লাহ আতাল, অন্য প্রান্তে ইকরাম আলী খিল উইকেট আঁকড়ে ব্যাট করছিলেন। ইবাদতের বলে লিটনের চমৎকার ক্যাচে ইকরামের ইনিংসের ইতি ঘটলে গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভাঙার স্বস্তি পায় বাংলাদেশ।
দিনের শুরুতে আফগানদের দরকার ছিল ৩৪৭ রান, তবে জয়ের চেয়ে উইকেট টিকিয়ে রেখে ম্যাচ ড্র করার দিকেই বেশি মন ছিল সফরকারীদের। ফিফটি তুলে নিয়ে আতাল এক প্রান্ত আগলে রাখেন, অপর প্রান্তে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন ইকরাম।
দিনের তৃতীয় ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এক রান নিতে গিয়ে ফিল্ডারের থ্রো এসে লাগে হাশমতউল্লাহ শহীদির পায়ের প্যাডে। চোট পেয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে থাকা শহীদি ফিজিওর সাহায্যে মাঠের বাইরে যান; ২০ রানে অপরাজিত অবস্থায় ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হন তিনি। এরপর ক্রিজে নামেন ইকরাম আলী খিল।
প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে আফগানিস্তান ২৪০ রানে গুটিয়ে গেলে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা, তাতে আফগানিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রান।
চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলে রহমত শাহকে ফিরিয়েছিলেন ইবাদত। ৫১ রান করা রহমতকে লিটনের ক্যাচে পরিণত করে ৮২ রানের জুটি ভাঙেন তিনি। পঞ্চম দিনেও সেই একই বোলার-উইকেটরক্ষক যুগলের কল্যাণে মূল্যবান উইকেট পেল বাংলাদেশ।
শেষ দিনে দ্রুত বাকি উইকেটগুলো তুলে জয় নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের লক্ষ্য, আর আফগানিস্তানের চেষ্টা উইকেট আগলে রেখে ম্যাচ বাঁচানো।