সীমিত সম্পদে সর্বোচ্চ ফলের গবেষণা-মডেল আইইডিসিআর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত মন্তব্য করেছেন, রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) একটি উৎকৃষ্ট মডেল হয়ে উঠতে পারে—দেশের সীমিত সম্পদ সঠিকভাবে কাজে লাগানো নিশ্চিত করে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা কীভাবে বাড়ানো সম্ভব, তারই মডেল।
রাজধানীর মহাখালীতে আইইডিসিআর মিলনায়তনে রোববার ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশন হয়; সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। আইইডিসিআর এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ শীর্ষক সম্মেলনটির আয়োজন করে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, ‘জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইডিসিআর দীর্ঘদিন ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে তাদের ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) অত্যন্ত সফল একটি উদ্যোগ। এই প্রোগ্রামের স্নাতকরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন।’
জাতীয় পর্যায়ে তরুণ গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) এক সভায় দেশের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। দেশে অনেক ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও সমন্বয় ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে সীমিত সম্পদের পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে আইইডিসিআর একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।’
সম্মেলনে যেসব বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্র প্রদর্শিত হয়, সেগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ‘প্রদর্শিত পোস্টার ও গবেষণাগুলো আন্তর্জাতিক মানের। সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো, গবেষণাগুলো বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও বিপুল জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকিকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে।’
আইইডিসিআরের পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকি এবং সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহ অনুষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।