শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিনিময়েই অটুট থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন, চিরকাল অটুট থাকবে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব।
মন্ত্রীর ভাষায়, ‘শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত বিনিময়ের মধ্য দিয়েই দুই দেশের এই ঐতিহাসিক বন্ধনকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব।’
প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ বক্তব্য দেন আজ রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে।
অনুষ্ঠানটি আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও মজবুত করা।
শিক্ষামন্ত্রী জনমিতিক সুবিধা বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কর্মক্ষম তরুণেরাই দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ। সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো কারিগরি শিক্ষায় (টিভিইটি) দক্ষ করে তোলার মাধ্যমে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে আন্তর্জাতিক মানের মানবসম্পদে রূপান্তর করা।
দেশের কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার; সম্প্রতি চীন সফরে শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে নিবিড় সম্পর্ক দেখা গেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়েই এ উদ্যোগ।
একই সঙ্গে সমঝোতা স্মারকও (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা খাতের বাজেটকে জিডিপির ২ শতাংশ থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার; এর বড় অংশ খরচ করা হবে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্পদ ব্যবহারের লক্ষ্যে একটি বিশেষায়িত ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা সুনীল অর্থনীতিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের মধ্যে আরও ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং।