অপ্রতিম হত্যা: গ্রেফতার দুই কিশোরকে পাঠানো হলো টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে
ছবিঃ সংগৃহীত
অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) নিয়ে আসা হয়েছে। তারা কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার মামলায় গ্রেফতার হওয়া চারজন আসামির মধ্যে দুজন। বাকি দুই আসামিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কড়া নিরাপত্তায় সোমবার বিকেলে ওই দুই কিশোরকে টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক।
টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র সূত্র জানায়, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসান (১৬) নামের দুই কিশোরকে সেখানে আনা হয়েছে। তাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় কারাগারে নয়, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
অপ্রতিম হত্যা মামলায় এর আগে তিনজন গ্রেফতার হয়, যাদের একজন প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন। তুহিনের বয়স ১৯ বছর; অন্য দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। পরে আরও একজনের সম্পৃক্ততা এ মামলায় যাচাই করা হয়। আদালতে চার আসামিকে তোলা হলে বয়স বিবেচনা করে দুজনকে কারাগারে এবং দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান এ প্রসঙ্গে বলেন, গতকাল বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই শিশু অপরাধীকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে দিয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত, নিহত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে। কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বেরিয়ে যাওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়। এর পরদিন শনিবার দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে; জায়গাটি সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামে।