কৃষকই দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি, বিরামপুরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন কৃষককে আখ্যা দিয়েছেন দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি বলে।
তিনি বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো অসচ্ছল কৃষকদের সরকারি সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন সচল রাখা।
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে; সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
এডিপির অর্থায়নে অনুষ্ঠানে সেলাই মেশিন পান ২০ জন নারী, আর ২৫টি গৃহহীন দরিদ্র পরিবার পায় দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয় ৯২ জন দুস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন মানুষকে।
পাশাপাশি শিক্ষা সহায়তার চেক পেয়েছেন ১২৬ জন দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থী, আর বার্ষিক অনুদান পেয়েছে ২৩টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় ওই আয়োজনেই উপজেলার ৮৪০ জন কৃষককে সবজি বীজ দেওয়া হয়; সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে বিতরণ করা হয় ১০ কেজি করে রাসায়নিক সার।
মন্ত্রী বলেন, সমাজের কাউকে পেছনে না ফেলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তার ভাষ্য, অসহায়, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা সরকারের সাংবিধানিক অঙ্গীকার, আর সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, এসব সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো নারীদের আত্মকর্মসংস্থান, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় উৎসাহ জোগানো, গৃহহীনদের জন্য আবাসনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা। এমন কর্মসূচি চলমান থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন। এতে বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হারেজ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিয়া মো. শফিকুল ইসলাম মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মনজুরুল ইসলাম রুবেল ছাড়াও হাজির ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা এবং উপকারভোগীরা।