মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবিঃ সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যার সঙ্গে যাচ্ছে আরও ৯,০০০ থেকে ১০,০০০ সদস্যের সেনা। নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে সতর্কতার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। নভেম্বরের শেষ নাগাদ ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ও এর স্ট্রাইক গ্রুপ ওই অঞ্চলে গিয়ে পৌঁছাবে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে এখন মোতায়েন আছে ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ ও ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’। এর মধ্যে ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’-এর অবস্থান সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরে; তবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের পর ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-কে প্রতিস্থাপন করতে রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে এসেছে।
এর ফলে শত শত যুদ্ধবিমান এবং ২০,০০০-এরও বেশি নাবিক ও মেরিন সেনা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকবে মার্কিন নৌবাহিনী।
গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ইরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেহরানের ভাষ্য ছিল, প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছিল কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, শোচনীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেই তারা হরমুজ প্রণালী অবিলম্বে খুলে দেওয়া নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।
ফ্লাইদুবাই ঘটনায় ইরান-যোগের ইঙ্গিত
ইসরায়েলগামী একটি ফ্লাইটের ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত এবং বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টাকারী কো-পাইলটের সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র থাকতে পারে—বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ওই পাইলটের কোনো সংযোগ আছে কি না, সে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যা শুনছেন তার ভিত্তিতে উত্তরটি হ্যাঁ, তবে এ নিয়ে কাজ চলছে।
হামলাটির দায় ইরানের হলে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা ব্যবস্থা নেবে কি না, তা জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানা হবে। সাংবাদিকদের পরের প্রশ্ন ছিল, আইআরজিসিই কি ওই ব্যক্তিকে বিমানে পাঠিয়েছিল, নাকি বিমান বিধ্বস্ত করার সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে অন্য কোনো উপায়ে তাকে উগ্রবাদী বানানো হয়েছিল। উত্তরে ট্রাম্প বলেন, তা হতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি