ব্যান্ডপার্টি আর মিষ্টিতে উদযাপন, ৩ দশক পর রাবি স্টেশনে থামল ট্রেন
ছবিঃ সংগৃহীত
দীর্ঘ তিন দশক পর আবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিয়েছে ট্রেন। শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে এই মুহূর্ত উদযাপন করতে ব্যান্ডপার্টি নিয়ে হাজির হন রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, বিতরণ করেন মিষ্টিও।
সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর পর এই স্টেশনে আবার ট্রেন থামছে। দাবিটি আদায়ে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে—আন্দোলন, বিক্ষোভসহ নানাভাবে দাবি তোলা হয়েছে, অবশেষে মিলেছে সাফল্য। যাঁরা পাশে ছিলেন ও সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে অভিনন্দন জানান তিনি। পাশাপাশি বিনা টিকিটে ভ্রমণ এবং রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে খারাপ আচরণ না করতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন।
জানা গেছে, গত ২৩ অক্টোবর রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিলাহাটি থেকে রাজশাহীগামী তিতুমীর এক্সপ্রেস এবং খুলনা থেকে রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস পরীক্ষামূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে একমুখী যাত্রাবিরতি দেবে বলে ঠিক হয়। সে অনুযায়ী শনিবার রাত থেকেই ট্রেন দুটি সেখানে থামতে শুরু করে।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, এতে বহুদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমল। সিদ্ধান্তটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমনটাই আশা তাঁদের।
উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
প্রেক্ষাপট
রাইজিংবিডির জুলাই ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তখন জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে পদ্মা, তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস—এই তিন ট্রেন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে পরীক্ষামূলক যাত্রাবিরতি দেবে।
এর আগে শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধের পর রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে গভীর রাতে চলাচলকারী পদ্মা, সাগরদাঁড়ি ও তিতুমীর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছিল—প্রথম আলো এ তথ্য জানিয়েছিল।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: রাইজিংবিডি, ২২ জুলাই ২০২৬; প্রথম আলো