১০ হাজার ও ৩ হাজার কোটির পুনঃঅর্থায়ন স্কিম: পাবনার টাউনহলে ২৭ উদ্যোক্তার হাতে মঞ্জুরিপত্র
ছবিঃ সংগৃহীত
বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত দুটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের কার্যকর প্রচার ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পাবনায় টাউনহল সভা হয়েছে। এর একটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার, অন্যটি উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক আঞ্চলিক হাব গড়ে তোলার জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার।
আজ পাবনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার, পাবনা জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটন ঢালী, অগ্রণী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফজলুল করিম এবং পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. হারুন অর রশিদ। সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু ছাঈদ মুহাম্মদ ইদ্রিস।
লিড ব্যাংক হিসেবে অনুষ্ঠানটির সমন্বয় করে ইসলামী ব্যাংক পাবনা শাখা ও অগ্রণী ব্যাংক পাবনা আঞ্চলিক কার্যালয়।
অনুষ্ঠানে পাবনা এলাকায় পরিচালিত তফসিলি ব্যাংকগুলোর ২৭ জন কৃষি বা এসএমই উদ্যোক্তার হাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার মঞ্জুরিপত্র ও চেক তুলে দেওয়া হয়।
সভায় অংশ নেন পাবনা এলাকায় কর্মরত তফসিলি ব্যাংকের কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তারা। পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, বিএডিসি, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রেক্ষাপট
দ্য ডেইলি স্টারের ৮ জুন ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সেদিন ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করে; তখন ব্যাংকগুলো ৪ শতাংশ সুদে তহবিল পেয়ে গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার সুযোগ পায়।
ইউএনবির ৩০ আগস্ট ২০২৬-এর খবর অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের কৃষির জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলটি গঠিত হয় ৬ জুলাই; পরে গ্রাহক পর্যায়ে সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশে নামানো হয়।
সংখ্যার হিসাব
ইউএনবির ১৭ আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা ঠিক করেছে; আগের অর্থবছরে এ লক্ষ্য ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা।
জেলার প্রেক্ষিত
ইউএনবির হিসাবে, ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলটি রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে কৃষি উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির জন্য; এ তহবিলে কৃষি উৎপাদন ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৮ মাস।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, ৮ জুন ২০২৬; ইউএনবি, ৩০ আগস্ট ২০২৬; ইউএনবি, ১৭ আগস্ট ২০২৬