রোজার আগে ১১ পণ্য আমদানিতে নগদ মার্জিন ঠিক করবে ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে, সে জন্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারিত ১১টি পণ্যের এলসি খোলার সময় নগদ মার্জিন কত রাখা হবে, তা এখন থেকে ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে ঠিক করতে পারবে ব্যাংকগুলো।
এ বিষয়ে রোববার একটি সার্কুলার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১। নির্দেশনাটি গেছে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে। সার্কুলারে বলা হয়, রমজানে নিত্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে; বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও দাম সহনীয় রাখতেই আমদানি সহজ করার এই উদ্যোগ।
নির্দেশনা অনুসারে, চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, সয়াবিন ও পাম অয়েল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর আমদানির এলসিতে নগদ মার্জিন ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা যাবে। দেশের বাজারে এসব পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিকারকদের এলসি খোলায় অগ্রাধিকার দিতেও ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে নির্দেশনাটি জারি হয়েছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে এবং আগামী ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
প্রেক্ষাপট
দেশ রূপান্তরের ৬ নভেম্বর ২০২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের রমজানের আগে একই ধরনের সার্কুলারে চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানির এলসিতে নগদ মার্জিন ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম রাখতে বলেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক; সেই নির্দেশনার মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
সংখ্যার হিসাব
ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কিছু পণ্য আমদানিতে ১০০ শতাংশ এলসি মার্জিন বাধ্যতামূলক করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রেক্ষাপট সূত্র: দেশ রূপান্তর, ৬ নভেম্বর ২০২৪; ডেইলি স্টার বাংলা, তারিখ অনুল্লিখিত
