সিলেটের কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা ঠিক হবে রপ্তানিপণ্য ও কার্গো সক্ষমতা দেখে: বাণিজ্যমন্ত্রীর নির্দেশ
ছবিঃ সংগৃহীত
সিলেট প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা কত হবে, তা ঠিক করতে হবে রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের পরিমাণ ও কার্গো পরিবহনের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে। শুক্রবার প্রকল্পটির নির্মাণকাজের পর্যালোচনা বৈঠকে এমন নির্দেশ দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
মন্ত্রী বলেন, সংরক্ষণ থেকে শুরু করে রপ্তানি পর্যন্ত পণ্যের প্রতিটি ধাপ যাতে নির্বিঘ্ন থাকে, সে জন্য প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আনুষঙ্গিক সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার।
বৈঠকে তিনি আরও বলেন, কোল্ড স্টোরেজের বিভিন্ন চেম্বারের ধারণক্ষমতা নির্ধারণের সময় গুরুত্ব দিতে হবে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিমাণ এবং কার্গোতে পণ্য পরিবহনের চাহিদাকে। একটি কার্গোতে পণ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর পরবর্তী চালানের প্রস্তুতিতে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সংরক্ষণ ও পরিবহনের ব্যবস্থা সেভাবেই রাখতে হবে।
কৃষিপণ্যের অপচয় কমানোর উপায় হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী প্যাকিং হাউজে শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের অবশিষ্টাংশ থেকে জৈব সার উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শও দেন। তাঁর মতে, এতে অপচয় কমবে, পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করাও সম্ভব হবে।
প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে রয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ, কৃষি সম্প্রসারণ ও কৃষি বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। প্রকল্পের অবকাঠামো, পরিচালন ব্যবস্থা ও রপ্তানিসংক্রান্ত সুবিধা পর্যালোচনার পর কমিটি সুপারিশ দেবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জুলিয়া জেসমিন মিলিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।