ছবিঃ সংগৃহীত
আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস আড়াইশোর আগেই গুটিয়ে গেছে আবুধাবি টেস্টে; হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের বোলিং তোপের মুখে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে তারা করেছে ২৪০ রান। ফলে ১০৬ রানের বিশাল লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
৯ উইকেট শিকার করেছেন হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন মিলে। হাসান ক্যারিয়ারের স্মরণীয় পাঁচ উইকেটের সঙ্গে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়েছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৪৬ রান।
বাংলাদেশ দলের জন্য তৃতীয় দিনের শুরুটা হয়েছে স্বপ্নের মতো রঙিন। আফগানিস্তান দিন শুরু করেছিল চার উইকেটে ২১১ রান নিয়ে; তাদের প্রথম ধাক্কাটা দেন এবাদত হোসেন চৌধুরী।
এবাদত ফেরান ইকরাম আলিখিলকে, যিনি ১০৩ বলে ৩২ রান করেছিলেন। ঠিক পরের ওভারেই কারিশমা দেখান হাসান মাহমুদ। ৮৩তম ওভারের ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বলে তিনি একে একে ফিরিয়ে দেন ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানকে। ইসমাত ফেরেন এক রানে, বাকি দুইজন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। তিন বলে তিন উইকেট নিয়ে হাসান মাহমুদ তুলে নেন দারুণ এক হ্যাটট্রিক।
হ্যাটট্রিকের পর ইয়ামিন আহমেদ জাইকে ফিরিয়ে হাসান তুলে নেন দারুণ এক ফাইফার। সেই সঙ্গে টেস্টে দ্রুততম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে ৫০ উইকেটের মাইলফলকও ছুঁয়ে ফেলেন তিনি। পরে সেঞ্চুরি পেয়েছেন টিকে থাকা আফগান অধিনায়ক রহমত শাহ; ২১৬ বলে ১০৩ রান করে টিকে ছিলেন রহমত। এবাদত হোসেন মোহাম্মদ সেলিমকে ফিরিয়ে আফগান ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন। আফগানিস্তান থেমেছে ২৪০ রানেই।
উইকেটের হিসাবে হাসানের পাঁচটি, এবাদতের চারটি, আর মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন একটি।
এদিন হাসান বাংলাদেশের তৃতীয় বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছেন, আর পেসারদের মধ্যে তিনিই প্রথম। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে এর আগে হ্যাটট্রিক ছিল অলক কাপালি ও সোহাগ গাজীর, যাঁরা দুজনেই ছিলেন স্পিনার।