‘অটবি’তে একেবারে অন্য মধুমিতা, বললেন—কাজের সমালোচনা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ
ছবিঃ সংগৃহীত
মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ‘অটবি’, অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের নতুন সিনেমা। ছবিটির প্রচার নিয়ে ব্যস্ত সময়ের মধ্যেই তিনি কথা বলেছেন নতুন চরিত্র, কাজের ধরন, ব্যক্তিজীবন ও দর্শকের প্রত্যাশা প্রসঙ্গে।
‘অটবি’তে একেবারে অন্য রকম এক মধুমিতার দেখা পাবেন দর্শকেরা—এমনটাই জানান অভিনেত্রী। তাঁর আগের কাজগুলোর সঙ্গে এ চরিত্রের ফারাক অনেকটাই, আর এর মধ্যে আছে একটি মনস্তাত্ত্বিক দিক।
মধুমিতার কথায়, ‘‘অটবি’র চরিত্রটা আমার আগের কাজগুলোর থেকে অনেকটাই আলাদা। এর ভেতরে একটা মনস্তাত্ত্বিক দিক আছে, যেটা শুরু থেকেই আমাকে টেনেছিল। একজন পরিচালক আমাকে এমন চরিত্রে কল্পনা করেছেন, দেখতে পেয়েছেন—এটাই আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অভিনেত্রী হিসেবে আমি এক জায়গায় আটকে থাকতে চাই না।’
একটা সময় নিয়মিতভাবে প্রচুর কাজ করতেন মধুমিতা, তবে এখন কাজ হাতে নিচ্ছেন বাছাই করে। কারণ হিসেবে তিনি বললেন ব্যক্তিগত জীবনকে সময় দেওয়ার কথাই।
অভিনেত্রী বলেন, ‘যখন খুব বেশি কাজ করতাম, তখন ব্যক্তিগত জীবনের জন্য সময় থাকত না। বাবা-মা সব সময়ই আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। পরে বুঝেছি, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অগ্রাধিকার বদলায়। জীবনে শুধু কাজ করলেই চলে না, যাঁদের ভালোবাসি তাঁদেরও সময় দিতে হয়।’
পেশা ও ব্যক্তিজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টি এখন তাঁর কাছে যথেষ্ট গুরুত্ব পায়। মধুমিতার ভাষায়, ‘আমি আমার পেশাকে খুব ভালোবাসি, কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনকেও কম গুরুত্ব দিই না। আমার মনে হয়, সাফল্য শুধু পেশাগত জায়গায় আসে না। মানুষ হিসেবে সম্পর্ক, পরিবার আর কাছের মানুষ—এগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
রহস্য আর মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন আছে ‘অটবি’র গল্পে; সে কারণে চরিত্রটিকে পর্দায় তুলে ধরতে তাঁকে আলাদাভাবে প্রস্তুত হতে হয়েছে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল চরিত্রের মনস্তত্ত্ব—জানান অভিনেত্রী। চরিত্রটির ভিন্নতা তাঁকে প্রকাশ করতে হয়েছে চোখের দৃষ্টি, মুখের অভিব্যক্তি ও শরীরী ভাষার মাধ্যমে।