তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কাজের বড় সুযোগ দেখছেন ফকির মাহবুব আনাম
ছবিঃ সংগৃহীত
আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। সেখানে তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়ানো দরকার।
তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন—বিশেষ করে এসব খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত করার যথেষ্ট সুযোগ আছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রযুক্তি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, তখন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান ভাগাভাগি আর দক্ষ জনবল গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসব জায়গায় অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে আসতে পারে।
দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
বৈঠকে হাইকমিশনার সুসান রাইল বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহের কথা জানান। তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবনসহ দুই দেশের স্বার্থ জড়িত নানা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও তুলে ধরেন তিনি।
বিদ্যমান সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বাড়বে—এমন আশা প্রকাশ করে দুই পক্ষই।
সাক্ষাতের সময় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) হ্যারি থম্পসনও সেখানে ছিলেন।
প্রেক্ষাপট
২০২৫ সালের ১৭ জুন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে সুসান রাইল জানিয়েছিলেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৫ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলারে পৌঁছেছে এবং আগের পাঁচ বছরে তা বছরে গড়ে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ হারে বেড়েছে — ঢাকা ট্রিবিউন এ তথ্য জানিয়েছিল।
এক নজরে
ঢাকায় অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, সুসান রাইল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে হাইকমিশনারের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ার সম্পৃক্ততার দায়িত্বে ছিলেন।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রেক্ষাপট সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন, ১৭ জুন ২০২৫; অস্ট্রেলীয় হাইকমিশন, ঢাকা, ৩০ অক্টোবর ২০২৬