তিন ভাষায় দক্ষ করে বিদেশেও চাকরির পথ খোলার উদ্যোগ: প্রতিমন্ত্রী টুকু
ছবিঃ সংগৃহীত
পড়াশোনা শেষ করার পর কোনো শিক্ষার্থীকে যেন চাকরির জন্য বসে থাকতে না হয়, সরকার সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষার্থীরা যাতে তিনটি ভাষায় দক্ষ হয়ে বিদেশে গিয়েও সহজে কাজ পান, সে উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় যোগ দেন প্রতিমন্ত্রী। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শোভাযাত্রাটি একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে থামে। এরপর কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার অ্যান্ড জব ফেয়ার উদ্বোধন করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সেখানে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার মান বাড়াতে কাজ করবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে শিক্ষাক্ষেত্রে টাঙ্গাইল যাতে দেশের সামনের সারিতে থাকে, সে জন্য যত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, সবই নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষ করে যাতে চাকরি পান, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ অনেকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতা এবং বিভিন্ন চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও আয়োজনে ছিলেন।
সংখ্যার হিসাব
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার এবং তাদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৩.৫০ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে ছিল ১৩.১১ শতাংশ — দ্য ডেইলি স্টার বাংলা ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর এ তথ্য জানিয়েছে।
একই জরিপের হিসাবে, ২০২৪ সালে দেশে সামগ্রিক বেকারত্বের হার ছিল ৪.৪৮ শতাংশ।
এক নজরে
শিক্ষক বাতায়নে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর এবং ২০০১ সালের ১২ জুলাই সংসদে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পাস হয়।
একই সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের ১২তম এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৩ সালের ২৫ অক্টোবর, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ৮৩ শিক্ষার্থী ও ৫ শিক্ষক নিয়ে। ক্যাম্পাসটি টাঙ্গাইল শহরের প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সন্তোষে।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রেক্ষাপট সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫; শিক্ষক বাতায়ন, তারিখ উল্লেখ নেই