সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বাগেরহাট বিআরটিএতে দুদকের অভিযান, প্রাথমিকভাবে মিলেছে অনিয়মের তথ্য
ছবিঃ সংগৃহীত
বাগেরহাটে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু অনিয়মের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে অভিযানটি চালানো হয়। নেতৃত্বে ছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কাইয়ুম হাওলাদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুদকের জেলা কার্যালয়ের দুই উপ-সহকারী পরিচালক সমীরন কুমার মণ্ডল ও শ্যামল চন্দ্র সেন।
অভিযানে বিআরটিএ কার্যালয়ের নানা কার্যক্রম, সেবা দেওয়া-সংক্রান্ত নথি ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন দুদকের কর্মকর্তারা।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কাইয়ুম হাওলাদার বাসসকে জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান চালানো হয়।
তিনি জানান, কার্যালয়ের বেশ কিছু নথি পরীক্ষা করা হচ্ছে, প্রাথমিকভাবে কিছু অনিয়মের তথ্য মিলেছে। নথিগুলো পর্যালোচনা শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানো হবে প্রধান কার্যালয়ে।
প্রেক্ষাপট
২০২৫ সালের ৭ মে দেশের বিভিন্ন বিআরটিএ কার্যালয়ে একযোগে অভিযান চালিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক); দেশ রূপান্তরের হিসাবে কার্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৩৫টি, আর দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস জানিয়েছিল ৩৭টি — সূত্রভেদে তথ্যের পার্থক্য রয়েছে।
দেশ রূপান্তরের ২০২৫ সালের ৮ মের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই অভিযানে বরিশালে এক দালাল দুটি লাইসেন্সের জন্য ২১ হাজার টাকা চেয়ে ধরা পড়েন, যেখানে লাইসেন্সের সরকারি ফি ৩ হাজার ৫২২ টাকা।
জেলার প্রেক্ষিত
২০২৫ সালের ৭ মে দুদকের একযোগে অভিযানে বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ও ছিল — দেশ রূপান্তর ২০২৫ সালের ৮ মে এ তথ্য জানিয়েছে।
একই প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে সময় বাগেরহাটে আউটসোর্সিং কর্মীদের বিকাশ হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া যায় এবং পরীক্ষার খাতা যাচাইয়ে অকৃতকার্য অনেক প্রার্থীকে উত্তীর্ণ দেখানোর অনিয়ম ধরা পড়ে।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাসস
প্রেক্ষাপট সূত্র: দেশ রূপান্তর, ৮ মে ২০২৫; দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ৭ মে ২০২৫