ছবিঃ সংগৃহীত
আমিরাত পর্বে পুরোপুরি হতাশ করার পর বাংলাদেশকে এখন তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার দিকে। ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে দুই ম্যাচের দুটিতেই—জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের কাছে—হেরে লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে দলটি। শুধু হারই নয়, আবুধাবি-শারজায় তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন দলটি প্রতিপক্ষের সঙ্গে সমানে সমান লড়াইও করতে পারেনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার কথা উঠলে অনেকের মাথায় আসতে পারে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ; আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে যৌথভাবে আয়োজন করবে আসরটি। তবে বাংলাদেশের নজর রাখার কারণ ভিন্ন। পোর্ট এলিজাবেথে চলমান অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ড্র হলে লাভ বাংলাদেশেরই। কারণ, ড্র হলে দক্ষিণ আফ্রিকার সফলতার হার দাঁড়াবে ৫৫.৫৬ শতাংশে। আর ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ এখন চারে আছে ৫৫.৫৬ শতাংশ সফলতার হার নিয়ে।
টেবিলের শীর্ষে এখন অস্ট্রেলিয়া, তাদের সফলতার হার ৮১.৮২ শতাংশ। পোর্ট এলিজাবেথ টেস্ট ড্র হলেও অজিরা সবার ওপরেই থাকবে, তবে তখন তাদের হার নামবে ৭৭.৭৮ শতাংশে। ৭২.২২ শতাংশ নিয়ে দুইয়ে নিউজিল্যান্ড আর ৬০ শতাংশ নিয়ে তিনে প্রোটিয়ারা।
দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় এই টেস্টের বেশির ভাগ সময়ই খেয়ে ফেলেছে বৃষ্টি। আজ পঞ্চম দিনেও প্রথম সেশন ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ এখন ৮৬ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪০ রান; ফলো-অন এড়াতে তাদের আরও ৮৫ রান লাগবে।
আমিরাত সফরে বাংলাদেশের ব্যর্থতা ছিল পুরোপুরি। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জয়ের পাল্লা ঝুঁকে ছিল বাংলাদেশের দিকেই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বীরত্বপূর্ণ ড্র আদায় করে নেয় আফগানরা। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তারা ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান তোলার পরই ড্র নিশ্চিত হয়।
এক নজরে
আইসিসির ১০ অক্টোবরের সংবাদ অনুযায়ী, আমিরাতের ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে লিগ পর্বে একে অপরের সঙ্গে একবার করে খেলবে; এরপর ২৩ অক্টোবর ফাইনাল।
সূত্র — মূল প্রতিবেদন: আজকের পত্রিকা | প্রেক্ষাপট সূত্র: আইসিসি, ১০ অক্টোবর ২০২৬