প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের পদ খালি সাড়ে ৩৪ হাজার, পিএসসির সঙ্গে কথা চলছে
ছবিঃ সংগৃহীত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খালি পড়ে থাকা প্রধান শিক্ষকের পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
সোমবার পুরান ঢাকার কোতোয়ালি থানা এলাকার দুটি বিদ্যালয় ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী—মাহুতুলি রেনেসাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও প্রসন্ন পোদ্দার লেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানেই তিনি এ কথা জানান।
ববি হাজ্জাজের হিসাবে, দেশে প্রধান শিক্ষকের প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার পদ এখন শূন্য। এসব পদে তাড়াতাড়ি নিয়োগ দিতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি মনে করেন, নিয়োগ দ্রুত শেষ হলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কাজ ও নেতৃত্ব আরও কার্যকর হবে।
দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়োগবিধি ও পিএসসির প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হয়ে গেলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনও নতুন করে দেখা দেবে।
বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
প্রেক্ষাপট
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২ জুলাই জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে ৯ বছরের আইনি জটিলতা কেটেছে — বাসস সেদিন এ তথ্য জানায়।
বাসসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার কারণে দীর্ঘ ৯ বছর পদোন্নতি বন্ধ থাকায় দেশের ৬৫ হাজার ৫০০ বিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়ে।
সংখ্যার হিসাব
২০২৩ সালের জুনে সংসদে দেওয়া তথ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ছিল ২৯ হাজার ৮৫৮টি — বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ৬ জুন ২০২৩ এ তথ্য জানায়।