বিশেষ শিশুদের জন্য কাজের স্বীকৃতি, ইয়াশা সোবহানের হাতে দুই আন্তর্জাতিক সম্মাননা
ছবিঃ সংগৃহীত
এক জোড়া আন্তর্জাতিক সম্মাননা যোগ হয়েছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহানের নামের পাশে। একটি ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’, অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটির দেওয়া ‘ডক্টর অব ফিলোসফি ইন সোশ্যাল ওয়ার্কস (Honoris Causa)’। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, বিকাশ এবং সমাজে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার কাজে অবদান রাখায় তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
সমাজকল্যাণে তাঁর নানা উদ্যোগ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনমান বদলে দেওয়ার ভূমিকা আর অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার চেষ্টা—সব মিলিয়েই এই অর্জনকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয় মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে, দ্য রিটজ-কার্লটন হোটেলে বসা ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স-২০২৬’-এর ৪৩তম আসরে। নানা দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখ করার মতো অবদান রেখেছেন, এমন পেশাজীবী ও কৃতী মানুষদের সম্মান জানাতেই এ আয়োজন। সেই মঞ্চে ইয়াশা সোবহানের স্বীকৃতি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা যাতে লেখাপড়ার সুযোগ পায়, নিজেদের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে এবং সমাজে মর্যাদা নিয়ে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে অন্যদের মতোই সমান সুযোগ পায়—এই লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন।
চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থেকে ইয়াশা সোবহান অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, যত্ন ও সার্বিক বিকাশ নিয়ে কাজ করছেন। প্রতিটি শিশুর নিজস্ব সক্ষমতা ও সম্ভাবনা বিকশিত করার ওপর যেমন জোর দিচ্ছেন, তেমনি তাদের উপযোগী ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সমাজে তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠার দিকেও নজর রাখছেন তিনি।
শুধু ব্যবসা নয়, সমাজ উন্নয়নের কাজেও সক্রিয় তিনি। ইয়াশা সোবহান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান এবং বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসার প্রসার ও ব্র্যান্ড গড়ে তোলার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর যুক্ত থাকা নানা ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজের জন্য পাওয়া এই দুই সম্মাননায় তাঁর সামাজিক উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিতি পেয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের বিকাশ, অধিকার ও সমাজে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা কতটা জরুরি, সে বিষয়টিও সামনে এসেছে।