
এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের সম্পূরক পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর, ফরম পূরণ ৫ নভেম্বর থেকে
ছবিঃ সংগৃহীত
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের সম্পূরক পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। পরীক্ষায় বসতে আগ্রহীরা অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবে ৫ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত, আর পরীক্ষার ফি দেওয়া যাবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি থেকে আজ সোমবার এসব তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আগেই জানিয়েছিলেন, এইচএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা নেওয়া, উত্তরপত্র মূল্যায়ন আর ফল প্রকাশের কাজ ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা আছে।
৩০ অক্টোবর ফল প্রকাশ উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে এক মাসের মধ্যে।
এখনকার নিয়মে এসএসসি বা এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কেউ এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে পরের বছর আবার পরীক্ষায় বসতে হয়। তখন শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে, কিংবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে।
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন, দুই বিষয়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। অর্থাৎ এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। সব মিলিয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।
এদিকে এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের তারিখ ঠিক হয়েছে ২৭ নভেম্বর।
প্রেক্ষাপট
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এত দিন এইচএসসিতে এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরের বছরের পরীক্ষার জন্য পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হতো; এবার ফল প্রকাশের দিনের ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এক মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
সংখ্যার হিসাব
প্রথম আলোর হিসাবে, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষা দেয়; পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন।
২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ, আর প্রাথমিক ফলে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬৯ হাজার ৯৭ জন — একই প্রতিবেদনে এ তথ্য রয়েছে।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: প্রথম আলো, ৩১ অক্টোবর ২০২৬; প্রথম আলো, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
