ছবিঃ সংগৃহীত
আজারবাইজানের বাকুতে বুধবার সিঙ্গাপুরকে টাইব্রেকারে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত হয়েছে লাল-সবুজদের।
নির্ধারিত ৪০ মিনিটে ম্যাচ শেষ হয় ১-১ সমতায়। বাংলাদেশের গোলটি আসে ১২তম মিনিটে, রাতুলের পা থেকে। সমতা না ভাঙায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে, সেখানে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে বাংলাদেশ।
এর আগে শেষ ৩২-এর ম্যাচেও একই ছবি ছিল—সেশেলসের সঙ্গে ১-১ ড্র করে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। নকআউট পর্বের টিয়ার ‘এ’-তে রয়েছে ৩২ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ৩২টি দল, যাদের মধ্যে লড়াই চ্যাম্পিয়ন বা ১ নম্বর হওয়ার। পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে থাকা ৩২ দল আছে টিয়ার ‘বি’-তে, তারা খেলবে ৩৩তম অবস্থান নির্ধারণী ফাইনাল। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ শেষ করেছে ৫ নম্বরে থেকে। পঞ্চম হওয়া ৩২ দলের জায়গা টিয়ার ‘ই’-তে। সেখানে শেষ-৩২ জিতে শেষ ষোলোয় ওঠে বাংলাদেশ; সামনে কোয়ার্টার ও সেমিফাইনাল। এই দলগুলোর লড়াই চলছে ১২৯তম অবস্থানের ফাইনাল ঘিরে।
ছয় দলের ‘জি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েলস, পর্তুগাল, বুরুন্ডি, ইন্দোনেশিয়া ও ফিজি। গ্রুপের পাঁচ ম্যাচে এক জয়, দুই ড্র আর দুই হারে বাংলাদেশ পায় ৫ পয়েন্ট। ফিফার এই আসরের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো, গ্রুপপর্ব শেষে কোনো দলকেই সরাসরি বিদায় নিতে হয় না। প্রচলিত বিশ্বকাপের মতো কেবল নকআউটে ওঠা কিংবা ছিটকে পড়ার হিসাব এখানে নেই; প্রতিযোগিতার শেষ দিন পর্যন্ত সব দলকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এক নজরে
ইনসাইড ওয়ার্ল্ড ফুটবলের ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমন্ত্রিত ২১১টি সদস্য সংস্থার মধ্যে ১৮৯টি এই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৫ আসরে অংশ নিচ্ছে। খেলা হচ্ছে আট-জনের দলে, ২০ মিনিট করে দুই অর্ধে, ছোট মাঠে।
প্রতিবেদনটি বলছে, প্রথম তিন দিনের বাছাই পর্বের ফলাফলে দলগুলোকে ছয়টি টিয়ারে ভাগ করা হয়, আর কেবল টিয়ার ‘এ’-র বিজয়ী সামগ্রিক চ্যাম্পিয়ন হবে। অংশ নেওয়া যে ৭৮টি দল আগে কখনো কোনো ফিফা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় খেলেনি, বাংলাদেশ তাদের একটি।
সূত্র
মূল প্রতিবেদন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রেক্ষাপট সূত্র: ইনসাইড ওয়ার্ল্ড ফুটবল, ২৩ অক্টোবর ২০২৬