সৌদি জার্মান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই বাংলাদেশি, দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত ৮ জনের মধ্যে তাঁরাও
ছবিঃ সংগৃহীত
দাম্মামের সৌদি জার্মান হাসপাতালে এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন দুই বাংলাদেশি। সৌদি আরবের দাম্মামে কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে চালানো হামলায় তাঁরা আহত হন। হামলার পরপর হতাহতদের নিয়ে প্রাথমিক যে প্রতিবেদন আসে, তাতে কোনো বাংলাদেশির আহত হওয়ার কথা ছিল না।
দুজনেরই শারীরিক অবস্থা এখন ভালো। আগামীকাল শুক্রবার তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্র আহত দুজনের পরিচয় জানিয়েছে—সজল চন্দ্র দাস ও মোহাম্মদ আব্দুর রহিম। হামলার সময় তাপ আর ধোঁয়ায় দুজনই জ্ঞান হারান। তবে তাঁদের শরীরে চোখে পড়ার মতো কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি হাসপাতালে গিয়ে দুজনের সঙ্গে দেখা করেছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন। দুজনের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো বলে জানানো হয়েছে।
সজল চন্দ্র দাস কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরাবাজার থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা; তাঁর বাবা অনুকূল চন্দ্র দাস। মোহাম্মদ আব্দুর রহিমের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী সদর থানার গোবিগল্লপপুরে, বাবার নাম সিরাজুল হক।
দুজনের চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজ রাখছে বাংলাদেশ দূতাবাস—মন্ত্রণালয় সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।
প্রেক্ষাপট
সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ) গত ১১ অক্টোবরও দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছিল — ওমান অবজারভার সেদিন এ তথ্য জানায়।
কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও নিরাপত্তা পরিদর্শনের কাজ চলছে; ওই প্রতিবেদনে হামলার ধরন বা হতাহতের কোনো তথ্য ছিল না।
সূত্র — মূল প্রতিবেদন: আজকের পত্রিকা | প্রেক্ষাপট সূত্র: ওমান অবজারভার, ১১ অক্টোবর ২০২৬