
গাজীপুরে ১২, সাভার-আশুলিয়ায় ১১ প্লাটুন: শিল্পাঞ্চলে মোট ৩৩ প্লাটুন বিজিবি
ছবিঃ সংগৃহীত
শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে মোট ৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন রয়েছে। পোশাক কারখানাসহ শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা, স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা আর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই মোতায়েন।
এর মধ্যে গাজীপুরে ১২ প্লাটুন, সাভার ও আশুলিয়ায় ১১ প্লাটুন, নারায়ণগঞ্জে ৭ প্লাটুন এবং মিরপুরে ৩ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নিরাপত্তা জোরদার এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে সাঁজোয়া কর্মী বহনকারী যান ও দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ যানও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
নজরদারিতে কাজে লাগানো হচ্ছে প্রযুক্তিও—ড্রোন দিয়ে সরাসরি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ চলছে। দায়িত্ব পালনের সময় বিজিবি সদস্যরা ব্যবহার করছেন বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও ইমপ্রোভাইজড বডি-ওর্ন ক্যামেরা।
বিজিবি সদর দপ্তরের মনিটরিং সেল থেকে এসব কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে।
শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখতে এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে সতর্ক অবস্থানে আছে বিজিবি। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে নজরে রাখা হচ্ছে।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক কাজের পরিবেশ বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বিজিবির এই তৎপরতা চলতে থাকবে।
প্রেক্ষাপট
দেশ রূপান্তর ১ নভেম্বর জানায়, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে সেদিন গাজীপুরে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
সংখ্যার হিসাব
যুগান্তরের ২ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরদিন গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ছিল, যারা ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছিল।
আইটিভির ২ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্দোলনের জেরে অন্তত ৬৭০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৬ লাখ ৮০ হাজার শ্রমিক কাজে যোগ দিতে পারেননি।
সূত্র
প্রেক্ষাপট সূত্র: দেশ রূপান্তর, ১ নভেম্বর ২০২৬; যুগান্তর, ২ নভেম্বর ২০২৬; আইটিভি, ২ নভেম্বর ২০২৬
